ফেলানী হত্যাকান্ডঃ নির্দোষ অমিয় ঘোষ – দোষী সমগ্র বাংলাদেশ

ফরেন পলিসি ম্যাগাজিনের তৈরি করা পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর এবং বিপদজনক কয়েকটি আন্তর্জাতিক সীমানার তালিকায় ভারত-বাংলাদেশ বর্ডার অন্যতম স্থান দখল করে আছে। মোটেই অবাক হবার মত বিষয় নয়, বরং সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর আলোকে এই বর্ডার প্রথম স্থানে থাকলেও তাতে কিছু আসে যায় না। ২০০০ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মোট পনেরো বছরে নিহত লোকের সংখ্যা ১০৫২ জন। বন্ধু রাষ্ট্রের মহানুভবতার সীমা খুজে পাওয়া দায়।

দু’দিন আগের কথা, বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী খাতুনকে হত্যা করে কাঁটাতারে ঝুঁলিয়ে দেয়া সেই মহান সৈনিককে বেকসুর খালাস করে দিয়েছেন আদালত। আইনের দিক থেকে ঘটনা বিশ্লেষণ করলে কি দাঁড়ায় এবং আমাদের অবস্থান কোথায়, আসুন সেটি খোজার চেষ্টা করা যাক।

ঘটনাঃ ফেলানি খাতুন হত্যাকান্ড (Fact)

২০১১ সালের ৭ই জানুয়ারী গভীর রাতে বাবার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার অন্তর্গত চৌধুরীহাট সীমান্ত চৌকির কাছে কাঁটাতার পেরিয়ে দেশে ফিরছিল বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানি খাতুন। তার বিয়ে ঠিক হয়ে ছিল দেশে, সম্ভবত এই সংক্রান্ত কেনাকাট আর ওপাশে থাকা স্বজনদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ, এই ছিল তাদের যাওয়ার উদ্দেশ্য। দালালদের সাহায্যে বেড়ার গায়ে তিনটি মই লাগিয়ে প্রথমে কাঁটাতারের বেড়া পার হয় তার বাব; ফেলানি যখন সীমানা পেরুচ্ছিল, সেই সময়ে প্রহরারত বিএসএফ ১৮১ ব্যাটালিয়নের কনস্টেবল অমিয় ঘোষ তার সার্ভিস রাইফেল থেকে গুলি চালায়। ভোরে গুলিবিদ্ধ মৃত অবস্হায় সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলন্ত অবস্হায় ফেলানিকে দেখতে পান সীমান্তের দু’পারের গ্রামবাসীরা। কোচবিহারের স্হানীয় এক সাংবাদিক ফেলানির ওই ছবি মোবাইল ফোনে তুলেছিলেন।‌ সে ছবি ছড়িয়ে পড়ে ভারত, বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের সংবাদ মাধ্যমে৷‌

FElani  ddd

ফেলানী খাতুন হত্যাকান্ডের বিচারপ্রক্রিয়া

ছবি প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় অভাবনীয় চাপের মুখে বিএসএফ নিজেই তার বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করে। কনস্টেবল অমিয় ঘোষের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা অনিচ্ছাকৃত খুন (Culpable Homicide) এবং বিএসএফ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছিল। ২০১২ সালের আগস্টে শুরু হওয়া এই বিচার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে সেখানে যান বিজিবির ৪৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্নেল জিয়াউল হক খালেদ। সাক্ষ্য দেয়ার জন্য যান ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম ও মামা আব্দুল হানিফ। বিএসএফ আইন অনুসারে পাঁচ জন অফিসারের সমন্বয়ে গঠিত হয় জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট বা জিএসএফসি (GSFC), এর প্রধাণ ছিলেন আসাম-মেঘালয় ফ্রন্টিয়ারের ডিআইজি এস পি ত্রিবেদী।

Felani 5অনেকেই ভেবেছিলেন, প্রথমবারের মতো এ ধরনের বিচারে ঘাতক বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ উপযুক্ত শাস্তি পাবে। বিএসএফ আইনের ৪৮ ধারা অনুসারে দোষী সাব্যস্ত বিএসএফ সদস্যের মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া সম্ভব। কিন্তু ২০১৩ সালের ১৩ই সেপ্টেম্বর দেয়া রায়ে তাকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। খালাসা দেয়ার পেছনে আদালতের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল – Insufficient and Inconclusive Evidence.

মূলত বিচারের নামে এটি ছিল একটি প্রহসন। প্রহসনের এই বিচারের মাধ্যমে বিএসএফ সদস্যদের কার্যত বাংলাদেশী হত্যায় প্ররোচিত করা হয়েছে। অমিয় ঘোষই যে ফেলানীকে হত্যা করেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই, কিন্তু সেই ঘাতক যখন বেকসুর খালাস পেয়ে যায় তখন বিএসএফ এর অন্যান্য সদস্যের কাছে এই বার্তা পৌঁছে যায় যে, সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিক হত্যা কোনো অপরাধ নয়, তারা অবলীলায় এই হত্যাকান্ড চালিয়ে যেতে পারে।

আমরা তার যথার্থ রূপায়ন দেখে আসছি গত কয়েক বছর ধরেই। এই বছরের কথাই ধরুন, জানুয়ারী থেকে জুন এই ৬ মাসে মাত্র ২৩ জন বঙ্গসন্তানকে হত্যা করা হয়েছে, যেখানে ২০১৪ সালে পুরো বছরে ৩৫ জন ‘গরুচোর’ ও ‘চোরাচালানী’কে স্বর্গে পাঠান বিএসএফ জওয়ানরা। এছাড়া এই ছ’মাসে ৩৫ জন আহত হয়েছেন এবং ১৭ জনকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

রায়ের রিভিউ ও তার জাজমেন্ট

বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের প্রবল চাপে বিএসএফ মহাপরিচালক সেই রায় রিভিউ করার নির্দেশ দেন। সাধারণত পুনর্ম্যূল্যায়নের সময়ে প্রথম রায়টিকেই খুঁটিয়ে দেখা হয়, যে কোনও আইনি ফাঁক থেকে গেছে কী না।

Felani 2২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার সোনারি ছাউনিতে বাহিনীর নিজস্ব আদালতে ফেলানি হত্যা মামলার রায়ের পুনর্মূল্যায়ন শুরু হয়। যে পাঁচ অফিসার প্রথম রায় দিয়েছিলেন, পুনর্মূল্যায়নের সময়েও তারাই আদালত চালান। তবে ফেলানি মামলার ক্ষেত্রে নতুন এক ব্যক্তির সাক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন। এ জন্য বাংলাদেশ থেকে ফেলানির বাবাকে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই প্রক্রিয়া অংশ নিতে ফেলানির বাবা ও তাদের আইনজীবী কুড়িগ্রাম জজ কোর্টের একজন পাবলিক প্রসিকিউটরসহ চারজন ব্যক্তি ভারতে গিয়েছিলেন।

সবকিছুর পর, গত ২রা জুলাই বৃহস্পতিবার ফেলানিকে হত্যার অভিযোগ থেকে অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেওয়ার আগের রায়ই বহাল রাখে বিএসএফ। কার্যত এই রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশী নাগরিকদের জীবনের ওপর ব্ল্যাংক চেক লিখে দেয়া হলো সীমান্তরক্ষীদের।

অবশ্য ব্যাপক সমালোচনার মুখে বিএসএফের কর্মকর্তারা বলছেন তাদের নিজস্ব আদালত যে রায় দিয়ে অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে নির্দোষ আখ্যা দিয়েছে, বাহিনীর মহাপরিচালক চাইলে তা খারিজ করে দিতে পারেন। সেই ক্ষমতা তার আছে। তবে তৃতীয়বার এই মামলার বিচারের আর কোন সুযোগ নেই, কারণ দুবারের বেশী তিনবার জিএসএফসি বা কোর্ট মার্শাল হয় না।

বাংলার মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ মাসুম (MASUM) এবং ফেলানী হত্যাকান্ড

বিএসএফ এর রায়কে চ্যালেঞ্জ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারতের মানবাধিকার সংগঠন মাসুমের প্রধান কিরীটি রায় বিবিসিকে জানিয়েছেন, “আমাদের দেশের সুপ্রীম কোর্ট নির্দিষ্ট করে বলেছে কোথাও কোনও অন্যায় অবিচার হলে যে কেউ প্রতিবাদ করে আদালতে আসতে পারে। আগেকার ধারণা পাল্টে দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। ফেলানির পরিবারের সঙ্গেও আমাদের কথা হয়েছে।”

BSF‘মাসুম’ এর ভাষ্যমতে, বিএসএফ এর নিজস্ব আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তারা বেশ কিছু আইনী পয়েন্ট খুঁজে বার করেছে, যেগুলি ভারতের সংবিধান আর ন্যায় বিচারের পরিপন্থী। তাঁদের প্রশ্ন, “এটা কে ঠিক করল যে শুধুমাত্র অমিয় ঘোষই অভিযুক্ত? যেখানে ফেলানি মারা যায়, সেখান দিয়ে ওর আগে আরও চল্লিশজন বেড়া পেরিয়েছে – বিএসএফ – বিজিবি টাকা নিয়েছে সবার কাছ থেকে। এটা ওয়েল রেকর্ডেড। তাই যারা সেই বে-আইনী কাজের অনুমতি দিল, অমিয় ঘোষের সহকর্মী বা সিনিয়র অফিসারেররা – তারা কেন দোষী হবেন না?”

কিরীটি রায় আরও জানান, ভারতের সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেকের জীবনের অধিকার রয়েছে। শুধু ভারতের নাগরিক নয়, দেশের মাটিতে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তির। এক্ষেত্রে সেটাও লঙ্ঘিত হয়েছে।

হত্যাকান্ডের বিচারে তদন্ত এবং বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতার নমুনা

‘মাসুম’ এর ভাষ্যমতে, এর আগেও তারা একবার ভারতীয় আদালতে ফেলানি হত্যা নিয়ে মামলা করার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তখন ফেলানির পরিবারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় নথি আর সহযোগিতা তাঁরা পান নি। কারণ কি? বাংলাদেশে আসার জন্য মাসুমের দু’জন মানবাধিকার কর্মী কলকাতার বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসে বারবার ভিসার আবেদন করার পরও ভিসা পাননি। এ দু’জন মানবাধিকার কর্মী হলেন মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চের চেয়ারম্যান, সিকিম আদালতের সাবেক বিচারপতি মলয় সেনগুপ্ত এবং সংগঠনটির শীর্ষ কর্মকর্তা কিরিটি রায়। কিরিটি রায় অভিযোগ করেছিলেন, এক সপ্তাহে ছয় দফায় তিনি উপ-দূতাবাসে ভিসার জন্য গিয়েছেন। প্রতিবারই তাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।

আরও ইন্টরেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে, সীমান্তের এই জঘন্য হত্যাকান্ড নিয়ে ভারতীয় সংস্থা মাসুম’কে যতটা ব্যতিব্যস্ত দেখা যাচ্ছে, আমাদের দেশের সংস্থাগুলোর দায়সারা বক্তব্য আর ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশের বাইরে কোন প্রতিক্রিয়া আমরা দেখতে পাইনি।

একটি দেশের নাগরিককে অন্যায়ভাবে হত্যা করবার পর তার প্রতিকার চাওয়ার ক্ষেত্রে এই হচ্ছে আমাদের অবস্থান, সাহস এবং যোগ্যতা।

মুদ্রার অপর পিঠ – বছর দুই আগে ভারতেরই একটি ঘটনায় আমরা তাদের যোগ্যতা আর দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ দেখতে পাই। এইখানে ফরিয়াদীর আসনে ভারত, আর আসামী ইতালি।

ভারতীয় আদালত এবং সুশীল সমাজের তৎপরতাঃ এনরিকা লেক্সি কেস (ভারতীয় জেলে হত্যা মামলা)

FELANi 3২০১২ সালে বঙ্গোপসাগরে চলমান ইটালিয়ান তেলবাহী জাহাজ এম টি এনরিকা লেক্সি’তে অবস্থানরত ইটালিয়ান মেরিন সেনারা গুলি চালিয়ে এমভি অ্যান্থনী নামের একটি ভারতীয় জেলে নৌকায় থাকা দু’জন ভারতীয় জেলেকে হত্যা করে। এই হত্যাকান্ড নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আইনী বিবাদ এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়েও টানাপোড়েন দেখা দেয়। আন্তর্জাতিক জলসীমা না ভারতীয় জলসীমা, ভারত এই বিদেশী সৈনিকদের বিচার করবার এখতিয়ার রাখে কি না এতসব বিতর্কের মধ্যেই ভারতীয় আদালতে তাদের বিরুদ্ধে হত্যাকান্ডের অভিযোগে বিচার শুরু হয়।

Felani 4এই দুই সৈনিককে কেন্দ্র করে দুই দেশের দূতাবাস পর্যায়ে চরম বিরোধ দেখা দেয়। ভারত যেমন ইতালীর রাষ্ট্রদূতকে প্রবল চাপে রাখে, তেমনি ইতালিও ভারতীয় দূতাবাসের মেইলবক্স থেকে বুলেট উদ্ধারের ঘোষণা দেয়। যাই হোক, ভারতীয় চাপের মুখে দুই মেরিন সেনাকে রোম থেকে ফিরিয়ে এনে ভারতের কাছে হস্তান্তর করে ইতালি। আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের ধোঁয়াশাপূর্ণ একটি জায়গাকে কাজে লাগিয়ে ভারতীয় সরকার এবং আদালত ইতালির সৈন্যদের বিচার শুরু করে এবং তা অব্যাহত রাখে। এমনকি ইতালি সরকার দুই নিহত জেলের পরিবারকে দশ লক্ষ রুপি ক্ষতিপূরণ প্রদাণ করতেও বাধ্য হয়। এই বিচার এখনো ভারতের আদালতে চলমান। ভারতীয় সরকার, তাদের সুশীল সমাজ এবং আদালতের জন্য এটি এক চরম সফলতা।

এই ভারতেরই প্রতিবেশী দেশ আমরা, আমাদের নতজানু পররাষ্ট্র নীতিই সম্ভবত বাংলাদেশী নাগরিকদের রক্তের দামকে পানির চেয়ে তুচ্ছ করে ফেলেছে। ক’দিন আগে মিয়ামনার আমাদের সীমান্তরক্ষীকে অপহরণ করে নিয়ে নির্যাতন অপমান করে সন্ত্রাসী নাটক সাজিয়েছে। মাদক এবং মানবপাচারকারীরা অবাধে ব্যবহার করছে বাংলাদেশকে, সেফ রুট হিসেবে। আমরা এইদিকে সৎ-অসৎ পথে হোক, বিদেশে চলে যাওয়া মানুষদের রক্ত পানি করা পয়সায় নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হওয়া সেলিব্রেট করছি কর্পোরেট সেহরি আর ইফতারে।

মন্দ কি ? রক্তের গন্ধ অন্তত ঢাকার বাতাসে তো পৌছাচ্ছে না !

———————————————————-

রেফারেন্স

– ২০০০-২০১৫ সাল পর্যন্ত সীমান্তে মানবাধিকার লংঘন নিয়ে ‘অধিকার’ এর পরিসংখ্যান দেখুন এখানে

– বাংলার মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ – মাসুম এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখুন এখানে

– ফেলানি বিচার সম্পর্কে উইকিপিডিয়ার যৎসামান্য তথ্য দেখুন এখানে

– ফিচারড ইমেজটি কার্টুনিস্ট মেহেদী হকের আঁকা।

Advertisements

One thought on “ফেলানী হত্যাকান্ডঃ নির্দোষ অমিয় ঘোষ – দোষী সমগ্র বাংলাদেশ

  1. পিংব্যাকঃ হায়দ্রাবাদ থেকে সিকিম হয়ে বাংলাদেশঃ নেহেরু ডকট্রিন ও আজকের বাস্তবতা | শাইখ মাহদী'র ব্লগ

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s