খুব সাধারণ একটা প্রশ্ন করি। একজন কালো মানুষ কী চায় ?

বিপ্লবী ফরাসী দার্শনিক ফ্রাঞ্জ ফানো এই প্রশ্নের একটা সহজ উত্তর দিয়েছিলেন।

একজন কালো মানুষ স্রেফ সাদা হতে চায়।

আপনি যদি এই উপমহাদেশের বাসিন্দা হয়ে থাকেন, ফানো’র ঐ উত্তরের সাথে দ্বিমত পোষণ করবার কোন সুযোগ আপনার নেই। মাল্টি-ন্যাশনাল প্রসাধনী কর্পোরেশনগুলোর ১৮ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা রয়েছে এশিয়াতে, ত্বকের রং ফর্সাকারী ক্রিম বিক্রির জন্য। ভারতের মহিলারা এক বছরে গড়ে মাত্র ২৩৩ টন রং ফর্সাকারী ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন

এই মুহূর্তে আমাদের ‘আলোকিত’ মনে অবভিয়াস প্রশ্নটা এসেই যায় – কালো মানুষ সাদা হতে চায় কেন ?

ছোটবেলা থেকেই বাংলাদেশের মত তৃতীয় বিশ্বের একটা দেশের নাগরিক হবার পরেও ‘আফ্রিকান’ বা ‘নিগ্রো’ মানুষদের সম্পর্কে আমাদের পারসেপশনটা কেমন ছিল মনে করুন তো? তারা কুৎসিত, তারা বর্বর, তারা দানবের মত শক্তিশালী, তারা পশু……… ঠিক কিভাবে আমাদের মনে ধারণাটা ঢুকিয়ে দেয়া হলো ?

শেক্সপিয়রকে দিয়েই আজকের আলোচনা শুরু করি। দ্য টেম্পেস্ট সবাই পড়েছেন, বিশেষ করে সুদর্শন শক্তিশালী যাদুকর প্রসপেরো, তার মেয়ে মিরান্দা এবং কুৎসিত দাস ক্যালিবানের ঘটনাগুলো। বাচ্চাকালে যখন স্বাভাবিক ভাবে পড়েছিলাম, আমার কাছে খুব ব্যতিক্রম কিছু মনে হয় নি, কিন্তু ফানো’র চোখ দিয়ে পড়বার পর কলোনিয়ালিজমের সুস্পষ্ট চিত্রায়নটা পরিস্কার হলো, যেটা আপনি পাবেন তার অমর সৃষ্টি ব্ল্যাক স্কিন, হোয়াইট মাস্ক বইটিতে।

কুৎসিত দাস ক্যালিবান সত্যিকার অর্থে কখনোই মুক্ত ছিল না, বরং সে ছিল ঘৃনার নিগড়ে শৃঙ্খলিত। সবসময় একটা মানসিক দাসত্বের অবস্থায় সে আটকে ছিল, এমনকি ইউরোপিয় ‘প্রভু’রা তার দ্বীপ ছাড়ার পরও। এর কারণ হিসেবে, ফানো বিশ্বাস করেন, ঔপনিবেশিক প্রভু শুধু তার গোলামকে কৌশলগত স্বাধীনতা দেয়, শুধুমাত্র ততটুকু, যতটুকু প্রভুর রাজনৈতিক উপযুক্ততা; নিজের স্বার্থ ও সুবিধার জন্য প্রয়োজন। এই দাস যখন মুক্তি পায়, তখনও সে আজন্মকাল মানসিক দাসত্ব বহন করে যায়, প্রভুর ভাষা, সংস্কৃতি, চেহারা সব কিছুই তার কাছে শ্রেষ্ঠ মনে হতে থাকে।

এই কথাটা ফানো’র জন্মস্থান ফরাসী উপনিবেশ ক্যারিবিয়ানের দ্বীপ মার্টিনিকের ক্ষেত্রে যেমন সত্য ছিল, তার চেয়েও বেশি সত্য ছিল আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের ক্ষেত্রে।

এশিয়ান বর্ণবাদের সূচনা এবং পরিবর্ধন

এশিয়ান বর্ণবাদ কথাটা একটু অদ্ভূত লাগতে পারে। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে সুয্যিমামার আশীর্বাদে সাদা চামড়া ধরে রাখা আমাদের এখানে একটু কঠিনই বটে। ঠিক এই মানসিক চিন্তা থেকেই প্রাচীণ চীন এবং জাপানে চামড়ার গৌর বর্ণকে আভিজাত্যের লক্ষণ হিসেবে ট্রিট করা শুরু হয়; কারণ ঐ সমাজে ধনী এবং প্রভাবশালী লোকেরা সবসময়ে ঘরে বা ছায়ায় আরামে থাকতেন, কালো হবার সুযোগ নেই। রোদে পুড়ে বাইরের সকল কাজ করতো দাসদাসীরা, তারাই ডার্ক স্কিন, নিম্ন শ্রেনীর মানুষ। মঙ্গোলয়েড মানুষের তো অবশ্য আমাদের মত সাদা-কালো হবার সুযোগ নেই, তাই কার চামড়া কতটা ‘ফ্যাকাশে’ (?!) সেটা দিয়েই তাদের বর্ণবাদ চলতো।

ঠিক একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলো উপমহাদেশে, আর্যদের আগ্রাসনে যখন এখানকার আদিম অধিবাসী কৃষ্ণতর মানুষেরা পরাজিত হলো, দাসত্ব গলায় নিলো, রোদে পুড়ে আজীবন শ্রম দিতে থাকলো তার মনিবদের, তখনই তারা পরিণত হলো নিম্ন বর্ণের অচ্ছুৎ জাতিতে। সর্বশেষ, চারশো বছর আগে ইউরোপিয়ানরা উপমহাদেশে পা রাখবার পর থেকেই কিভাবে আমাদের মানসিকতা, বিউটি স্ট্যান্ডার্ড সবকিছুই এই ‘সাদা প্রভুদের’ মত হয়ে গেল, সেটা ফ্রাঞ্জ ফানো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন।

DDD 4উপমহাদেশের অংশ হিসেবে আজকের বাংলাদেশে একটা শিশুর জন্ম নেয়া থেকে শুরু করে বেড়ে ওঠা, চাকরী, বিয়ে থেকে শুরু করে সব কিছুতে বর্ণবাদের উদগ্র বহিঃপ্রকাশ আমাদের মনে কোন ভাবান্তর ফেলে না, এটা অনেকটাই স্বাভাবিক। সামাজিক চাপ, মানসিক হীনমন্যতা যেটা আমরা শত বছরের ঔপনিবেশিক দাসত্ব থেকে অর্জন করেছি, পারিপার্শ্বিকতা সহ সব কিছুই একজন দুর্ভাগা কালো মানুষের জন্য অসহনীয় হয়ে উঠতে শুরু করে, বিশেষ করে মেয়ে হলে তো কথাই নেই।

চামড়ার উজ্জ্বলতার আবার বিভিন্ন ডাইমেনশন আছে। হিন্দু সমাজের কথা বাদ, বাঙ্গালী মুসলমানদের মধ্যেই নিজদের সম্ভ্রান্ত বংশীয় আশরাফ প্রমাণের গৌরব, মক্কা-আরব-ইরান থেকে আগত বংশের গৌরব, তার বিপরীতে নিম্ন বর্ণের অচ্ছুৎ হিন্দু থেকে কনভার্ট হওয়া ‘আতরাফ’ মুসলমানকে বাঁকা চোখে দেখার তৃপ্তি কতটা প্রকট সেটা বোঝা খুব কঠিন না। সৈয়দ সাহেব বনাম আলতু মিয়ার চিরন্তন সেই ব্যবধান গায়ের রং থেকেই শুরু, এরপর শিক্ষা প্রভাব প্রতিপত্তি সামাজিক অবস্থান সব কিছু ম্যাটার করতে থাকে।

আজকে ফেয়ার এন্ড লাভলির চকচকে ফর্সা মডেলটা যত কথাই বলুক না কেন, কনফিডেন্স, প্রত্যাশা এবং ট্রিটমেন্টের মধ্যে আকাশ পাতাল ফারাক রয়েই যাচ্ছে। যেমন ধরেন, ভারতের মহারাষ্ট্রের একটা প্রকল্পে ১০০ জন আদিবাসী মেয়েকে বিশেষ স্কলারশিপ দিয়ে প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে পাঠানো হয়, তারা যেন বিভিন্ন এয়ারলাইন্সে কেবিন ক্রু হিসেবে কাজ করতে পারে। প্রশিক্ষণ শেষ হবার পর মাত্র ৮ জন কাজ পেতে সমর্থ হন, তাও গ্রাউন্ড স্টাফ হিসেবে, ফ্লাইটে নয়। অবশ্য ফ্লাইট ক্রু-দের ব্যাপারটা আরও ইন্টেরেস্টিং, এনাদের বয়সও একটা বড় ফ্যাক্টর। আমরা তরুণী সুন্দরীদের চাই, বয়স্কাদের নয়। বাংলাদেশে অবশ্য আদালতের সিদ্ধান্তের ফলে ৩৫ বছর হলেই মহিলা কেবিন ক্রু-দের অবসরগ্রহণের নিয়মটাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিল করা হয়। (মামলার রেফারেন্স ব্লগের শেষে)

এই পৃথিবী, এই সমাজ, পুরুষ হিসেবে আমরা এবং নারী হিসেবে অন্যরা ফর্সা সুন্দর মেয়েকে দেখতে চাই, কোন প্রাকৃতিক বা আপাতঃঅসুন্দর চেহারা নয়।

DDD 3একটা ছোট কিন্তু খুব সিগনিফিক্যান্ট আইনী লড়াইয়ের কথা এখানে না বললেই না।

বাচ্চাদের রং বা কালার পেন্সিল আমরা সবাই দেখেছি। এখানে প্রতিটা পেন্সিল বা ক্রেয়নের গায়ে রঙের নাম লিখা থাকে – লাল, নীল, সবুজ। হিন্দুস্তান পেন্সিল কোম্পানি (যারা নটরাজ বা অপ্সরা পেন্সিল তৈরি করে), কলোরমা ব্র্যান্ডের এক ক্রেয়ন সেটে স্কিন কালার নামে একটা কালার পেন্সিলের নাম দিল, যার রং ছিল মূলত পিচ রং, অর্থাৎ হালকা সাদাটে। আমাদের মার্কেটে যে সব রং প্রচলিত, ধরেন ফেবার কাস্টল, সেখানেও কিন্তু স্কিন কালার হিসেবে পিচ রংটাকে দেখানো হয়। কিন্তু বেশিরভাগ ভারতীয় মানুষের গায়ের রঙের সাথে এই রং যায় না, এই অভিযোগ এনে চিরাইয় জৈন নামে বাঙ্গালোরের সেকেন্ড ইয়ারের এক আইনের ছাত্র মামলা ঠুকে দিল কোর্টে। কারণটা খুবই স্বাভাবিক, ছোটবেলা থেকেই যদি স্কিন কালার হিসেবে আমি ফর্সা রংকে স্ট্যান্ডার্ড মনে করে বেড়ে উঠি, আমার মনে-চিন্তায় বর্ণবাদ বাসা বাঁধতে বাধ্য। জেলা আদালত বিষয়টিকে নাকচ করে দিলেও তরুণ এই আইনের ছাত্ররা হাল ছাড়েনি, তারা আইনি লড়াই অব্যাহত রেখেছে।

এই সচেতনতা এবং সংবেদনশীলতা আমাদের সবার দরকার।

DDD 1একটা অপ্রাসঙ্গিক বিষয়, যদিও খেয়াল করবার মত – সনাতন ধর্মের মহাদেবতা ভগবান কৃষ্ণ, রামায়নের রাম, মহাভারতের অর্জুনসহ বেশিরভাগ বড় দেবতার গায়ের রং কিন্তু কালো দেখানো হয়, আর এইদিকে এক কালী ছাড়া প্রায় সকল দেবীর গায়ের রং ফর্সা। কৃষ্ণ বা রামের জন্য ফর্সা সুন্দরী রাঁধা বা সীতা থাকলেও অন্য কোন ফর্সা দেবতার জন্য কৃষ্ণাঙ্গী দেবীকে সম্ভবত দেখতে পাওয়া যায় না। এই জেন্ডার বায়াসটা কি পুরুষতান্ত্রিক ভারতীয় সমাজের ইচ্ছাকৃত না কাকতালীয় সেটা জানার উপায় আমার কাছে নেই।

অবশ্য আমাদের আজকের মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিরা কাউকে ছাড় দিতে রাজি না, তাই ফেয়ার অ্যান্ড লাভলির সাথে সমানে পাল্লা দিচ্ছে ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসাম। কারণ সাদাই জীবন, জীবনের শ্রী !!

গ্লোবালাইজেশনের এই যুগে সৌন্দর্যের ‘সর্বজনীন’ মানদণ্ড বা বিউটি স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে সাদাত্ব মডেলকেই ভিত্তি ধরা হয়, কারণটা যতটা না ভৌগলিক তার চেয়েও বেশি ঔপনিবেশিক – বিশ্বের বড়োভাইরা সকলেই সাদা। এতে একজন কালো মানুষ কখনো সাদা মানুষের সাথে সম্পূর্ণ খাপ খাইয়ে নিতে পারে না; যার ফলে ব্যক্তিগতভাবে তারা নিজেদের পরিত্যক্ত ভাবতে শুরু করে, আর সম্মিলিতভাবে শ্বেতাঙ্গদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে চেষ্টা করে। তবে এই চেষ্টা সহজাত কারণেই চরমভাবে ব্যর্থ হয়; এবং এর পরিণতিতে জন্ম নেয় হীনমন্যতা, এবং ক্ষেত্রবিশেষ নিঃসঙ্গতাবোধ।

অপরদিকে, ফানো প্রস্তাব করেন বিষয়টা ঘটে সম্পূর্ণ উলটো দিক থেকে। অর্থাৎ, সাদা ঔপনিবেশিক মানুষেরাই প্রতিকূল পরিবেশে নিজেদের সঙীন অবস্থা দমন করার জন্য গড়ে তোলে ‘শ্রেষ্ঠতা’র এক মিথ্যা প্রাচীর, সেটা গায়ের রং থেকে জ্ঞান-গরিমা শক্তি সব দিক দিয়েই।

ফলাফল অবশ্য দুই দিকেই এক। সাদা মানুষের সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্স, আর কালোদের ইনফেরিয়রিটি।

এবং আমরা সভ্যতার চরম শিখরে ওঠার দাবী করলেও বর্ণবাদের বিষ নামানোর অনেক অনেক দেরী। আমেরিকার প্রেক্ষাপটে অশ্বেতাঙ্গ মানুষের ওপর পুলিশী নির্যাতনের কথাই বলেন, কিংবা স্টার ওয়ার্স ফ্র্যাঞ্চাইজের সর্বশেষ মুভি – দ্য ফোর্স এওক্যেইনস এর লিড রোলে কৃষ্ণাঙ্গ কেন, এই নিয়ে অনলাইনে তীব্র সমালোচনার কথাই বলেন, ঠিক কোন শতাব্দিতে আমরা বাস করছি এখন সেটা বোঝা মুশকিল।

আর আমাদের দেশে এই ধরণের প্রকট বা সরাসরি বর্ণবাদ না থাকলেও যা আছে তা কোন অংশে কম না, সেটা শুধুমাত্র কালো মানুষজন আর বিশেষ করে তাদের বাবা মায়েরা সবচেয়ে ভালো বোঝেন। পল্লীকবির ভাষায়, ”হাতে তে যদিও না মারিত তারে শত যে মারিত ঠোঁটে !”

কি আর করার, সাদা মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের পৃথিবীতে কালোদের জন্ম নেওয়াটাই যে অপরাধ !

ভারতের বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা নন্দিতা দাস ডার্ক ইজ বিউটিফুল নামে একটি ক্যাম্পেইন চালু করেন যা আলোড়ন তোলে ভারতজুড়ে। এবং এর ফলাফলটাও ছিল খুবই আশাব্যঞ্জক, ২০১৩ সালে সারা ভারতে ফেয়ার এন্ড লাভলির বিক্রি ৪% কমে যায়, এইদিকে ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসামের বিক্রিও ১৪% কমে যায়। ‘কালো আফ্রিকা’ অবশ্য আরও একধাপ এগিয়ে, সাউথ আফ্রিকা এবং একেবারে রিসেন্টলি গত মে মাসে আইভরী কোস্ট আইন করে সেখানে রং ফর্সাকারী ক্রিম বিক্রি নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। আমাদের দেশেও অবশ্য মেরিল শুরু করেছে একটা ক্যাম্পেইন, সেটা তাদের ইউনিলিভারের সাথে ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতার স্বার্থেই হোক বা সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই হোক, কিছুটা পজেটিভ ইমপ্যাক্ট তো ফেলবেই।

অবশ্য বাংলাদেশের কি হবে সেটা বলা খুবই মুশকিল। ক’দিন আগে নাট্যাভিনেত্রী সুমাইয়া শিমুর বিয়ে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যা হল, এরপর হতাশ হয়ে নীরদ সি চৌধুরীর ভাষায় বলতেই হয়, “………ব্যক্তিবিশেষকে ভুলিয়া থাকা যত সহজ, নিজের জাতিকে ভুলিয়া থাকা তত সহজ নয় !”

সর্বশেষ কথা – আইন হোক, ফেয়ারনেস ক্রিম নিষিদ্ধ করে হোক, রংচঙ্গা ক্যাম্পেইন হোক আর শিক্ষার আলোয় আলোকিত মানুষ হোক, নিজেদের বিবেকের মুক্তি যতদিন না আসবে, ঔপনিবেশিক প্রভুদের সেট করে যাওয়া বার্বি স্ট্যান্ডার্ড থেকে বেরিয়ে এসে আমাদের নিজেদের সংস্কৃতিকে মন থেকে মেনে নিতে না পারলে, একটা কালো ছেলে বা মেয়ে আজীবন কালোই থেকে যাবে, মানুষ আর হয়ে উঠতে পারবে না।

অন্ধকার আলো হয়ে জ্বলে উঠুক আবার…………

——————————————————

রেফারেন্সঃ যে দু’টি মামলায় বাংলাদেশী বিমানবালাদের বৈষম্যমূলক বয়সসীমা বাতিল ঘোষণা করা হয় –

Dalia Perveen vs Bangladesh Biman, 48 DLR 132 এবং

Rabia Basri Irine vs. Bangladesh Biman, 52 DLR 308

Advertisements